
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে নিহতদের দাফনের জন্য ঢাকার উত্তরা ১২ নম্বর কবরস্থানকে নির্ধারণ করেছিল সরকার।
ঝোঁপঝাড়ে ঢাকা সেই পুরনো কবরস্থান রাতারাতি ‘সরকারি কবরের জন্য প্রস্তুত’ করা হয়েছিল।
কিন্তু—
একজন অভিভাবকও সেই সিদ্ধান্তে সাড়া দেননি।
কারও ভাই, কারও ছেলে, কারও একমাত্র সন্তান—যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা যাওয়া এই সন্তানদের প্রতিটি পরিবার নিজ গ্রামের মাটিতে নিয়ে গেছে লাশ।
🖤 আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শামীমকে কবর দেওয়া হয়েছে শরীয়তপুরে, বাবার পাশে।
বোন ফারজানা বলেন,
“মাত্র সাত মাস আগে বাবাকে হারিয়েছি। এবার হারালাম ভাইকে।
বাবা-ছেলে পাশাপাশি শুয়ে আছে।”
যে উত্তরা ১২ নম্বর কবরস্থানকে স্মৃতিফলক বানানোর কথা বলেছিল প্রশাসন,
সেখানে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কেবল ঝোঁপঝাড় আর অপেক্ষার শূন্যতা।
📌 মর্মান্তিক ঘটনা:
৩১ জন নিহতের কথা শোনা গেলেও বড় কোনো পরিবার ওই নির্ধারিত জায়গায় আসেনি।
দাফন নয়, বরং প্রত্যেকেই শরীয়তপুর, শরিয়গড় সহ বিভিন্ন গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের দাফন সম্পন্ন করেছে।
➤ আবদুল্লাহ মুজিবের বড় বোন ফারজানা কনিকা জানিয়েছেন,
“আমার ভাই ১৪ বছর বয়সে পাছে গেল। আমরা রাজি হয়নি—মরদেহ নিয়ে শরীয়তপুর চলে গিয়েছিলাম বাবার পাশে।”
কাল তম্পুর অবস্থায় ১১টার সময় পর্যন্ত কেউ সেখানে যাননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাশিদা ইয়াসমীন, ই-মেইল : news@kalukhalitimes.com, ফোনঃ +৮৮০১৭১১-৭৭৫৯২২
ঠিকানা : জোয়াদ্দার প্লাজা, চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড, কালুখালী, রাজবাড়ী ।
২০২৫ © কালুখালী টাইমস কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতYou cannot copy content of this page