রাজবাড়ীর পাংশায় এক নারীকে চলন্ত মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে পাংশা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা থানাধীন মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থানকালে ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের হাইয়েস মাইক্রোবাসে তুলে নেয় অভিযুক্তরা।পরে ওই নারীকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে পাংশার কুলটিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়ির পেছনের সিটে শুইয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
একপর্যায়ে একই দিন রাত আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্তরা ভিকটিমকে কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকার একটি ফাঁকা স্থানে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী পাংশা মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন—পাংশা পৌর এলাকার কুলটিয়া গ্রামের মো. হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে হাসিবুর রহমান অন্তর (৩২), কলিমহর ইউনিয়নের ধানুরিয়া গ্রামের মো. আব্দুল মজিদের ছেলে রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদ (৪০) এবং পৌর এলাকার পারনারায়নপুর গ্রামের মো. তায়জাল মুন্সীর ছেলে মো. বরকত মুন্সী (৩৪)।
অভিযোগের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাংশা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুল গণির নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাংশা বাজার এলাকা থেকে মামলার ২ নম্বর আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ভিকটিমের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে পাংশা মডেল থানায় মামলা নম্বর-০১, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৬; জি আর নম্বর-৬২/২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭/৯(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলার তদন্ত এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাশিদা ইয়াসমীন, ই-মেইল : news@kalukhalitimes.com, ফোনঃ +৮৮০১৭১১-৭৭৫৯২২
ঠিকানা : জোয়াদ্দার প্লাজা, চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড, কালুখালী, রাজবাড়ী ।
২০২৫ © কালুখালী টাইমস কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতYou cannot copy content of this page