
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া তরুণ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা। তিনি জানান, ১০০ বার ফোন করেও তাদের একজনও রিসিভ করেননি এবং আজ পর্যন্ত তার পরিবারের খোঁজ কেউ নেয়নি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
“ছেলের রক্তের বিনিময়ে যারা ক্ষমতায় গেছে, তারা একবারও খোঁজ নেয়নি”
ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন,
“আমার বড় ছেলে শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের বয়স ছিল ১৭ বছর। ছোট ছেলের ১৪। ভাইয়ের মৃত্যুর ১৪ দিনের মাথায় ওর ক্যানসার ধরা পড়ে। এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরপর ১৮ মে আমার স্বামী ব্রেন স্ট্রোকে মারা যান।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা বিএনপি পরিবার ছাড়া আজ রাস্তায় নামতে হতো। ওদের সহযোগিতায় ছোট ছেলের চিকিৎসা চলছে। শুক্রবার ওর আরেকটা অপারেশন। দোয়া করবেন, যেন আমার শেষ আশাটুকু বাঁচে।”
এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
তিনি অভিযোগ করে বলেন,
“এই উপদেষ্টা পরিষদ ও অন্তর্বর্তী সরকার আজ পর্যন্ত আমাদের খোঁজ নেয়নি। এমনকি সারজিস-হাসনাতকে ১০০ বার ফোন করলেও তারা একবারও ফোন রিসিভ করেনি।”
শহীদ পরিবারকে সম্মাননা
আলোচনা সভায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ সম্মানসূচক আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।


