
ড. গালিব বলেন,“জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আমাদের অপরিহার্য। এটি বাস্তবায়ন না হলে আমরা আবারও হাসিনার আমলের সিস্টেমে ফিরে যাব। সেই সিস্টেমে তিনি দাবি করতে পারবেন যে তাঁর শাসন বৈধ ছিল।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন,“জুলাই সনদের কার্যকরকরণ কোনো রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে না; এটি হবে জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন। গণভোটই একমাত্র মাধ্যম যা এই প্রতিফলন নিশ্চিত করতে পারে।”গণভোট ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে হবে নাকি নির্বাচনের সঙ্গে একসাথে হবে, তা মূল বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো গণভোটের মাধ্যমে সনদকে আইনি বাধ্যবাধকতায় আনা।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“সনদের যেসব বিষয়ে সব দল একমত, সেগুলো এক প্যাকেজে রাখা হবে। যেখানে মতভেদ আছে, সেগুলো আলাদা প্যাকেজে যাবে। দুই প্যাকেজই গণভোটে উপস্থাপন করা হবে, এবং জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।”





