
ফিফার স্বীকৃতি পাওয়ার ২৬ বছর পর অবশেষে ইউরোপের মাটিতে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলল ফিলিস্তিন ফুটবল দল।
শনিবার স্পেনের বিলবাও শহরের সান মামেস স্টেডিয়ামে বাস্ক কান্ট্রি দলের বিপক্ষে এই প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা ফিলিস্তিনের ফুটবল ইতিহাসে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গাজায় চলমান সহিংসতা ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে আন্তর্জাতিক সংহতি জানানোর উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয় ম্যাচটি।
স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রায় ৫০ হাজার দর্শক ফিলিস্তিনের পতাকা ও সংহতির ব্যানার উড়িয়ে ম্যাচটিকে রাজনৈতিক ও মানবিক বার্তার মঞ্চে পরিণত করেন।
ম্যাচ শুরুর আগে ফিলিস্তিনের খেলোয়াড়রা ‘গণহত্যা বন্ধ কর’ লেখা ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন।
দর্শকরাও শহরের মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রা, পতাকা মিছিল ও ব্যানার প্রদর্শনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানান।
স্টেডিয়ামে ফিলিস্তিন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সুলেইমান আল-ওবেইদ–এর ছবি উন্মোচন করেন সমর্থকরা।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত এই তারকার স্মরণে মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন।
নিছক ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং ফিলিস্তিনের নিহত ও নির্যাতিত মানুষদের স্মরণে এক মানবিক প্রতীকী আয়োজন ছিল এটি।
ম্যাচে অবশ্য ৩–০ গোলে জেতে অ্যাথলেটিক বিলবাও, রিয়াল সোসিয়েদাদসহ বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়ে গঠিত বাস্ক দল।
আগামীকাল বার্সেলোনায় কাতালানুনিয়া একাদশের বিপক্ষে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ফিলিস্তিন।
স্পেনে গত দুই বছরে জায়নবাদী বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বড় প্রতিবাদ হয়েছে, বিশেষ করে বাস্ক কান্ট্রি অঞ্চল এর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।





