
অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে মাত্র ২৩ বছর বয়সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে প্রবাসে পাড়ি দিয়েছিলেন পারভেজ মণ্ডল। আশা ছিল—কয়েক বছর কষ্ট করে দেশে ফিরে বিয়ে করবেন, সংসার করবেন, পরিবারের মুখে হাসি ফুটাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না তার। দূর প্রবাস থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি—নিথর দেহে, কফিনবন্দী হয়ে।
৭ লাখ টাকা ধারদেনা করে মাত্র ১৩ মাস আগে ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি কোম্পানিতে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির কাজ করতেন। চলতি বছরের ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পারভেজের।
দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২৭ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে যখন তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়—হাহাকার ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
মা সন্তানের কফিন ছুঁয়ে বারবার ভেঙে পড়েন। বোনের কান্নায় কেঁপে ওঠে চারপাশ। যে বাড়িতে পারভেজের বিয়ের আনন্দে ঢোল বাজানোর কথা ছিল, সেখানে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। উপস্থিত সবাই আবেগ সামলাতে না পেরে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
এরপর রাতেই গ্রামের স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় পারভেজ মণ্ডলের নামাজে জানাজা। শোকে ভারী বাতাসের ভেতর অসংখ্য মানুষ জড়ো হন তার শেষ বিদায়ে। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে, কান্না আর আহাজারির মধ্যে। মাটির নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত হয় প্রবাস ফেরত তরুণের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর গ্রামের ভ্যানচালক কিয়ামুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে ছিলেন পারভেজ। পরিবারের স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল হঠাৎ রাস্তার দুর্ঘটনার নির্মমতায়। অবশেষে বাড়ি ফিরলেন প্রবাসী পারভেজ তবে, কফিন বন্দি হয়ে।
অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে মাত্র ২৩ বছর বয়সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে প্রবাসে পাড়ি দিয়েছিলেন পারভেজ মণ্ডল। আশা ছিল—কয়েক বছর কষ্ট করে দেশে ফিরে বিয়ে করবেন, সংসার করবেন, পরিবারের মুখে হাসি ফুটাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না তার। দূর প্রবাস থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি—নিথর দেহে, কফিনবন্দী হয়ে।
৭ লাখ টাকা ধারদেনা করে মাত্র ১৩ মাস আগে ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি কোম্পানিতে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির কাজ করতেন। চলতি বছরের ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পারভেজের।
দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২৭ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে যখন তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়—হাহাকার ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
মা সন্তানের কফিন ছুঁয়ে বারবার ভেঙে পড়েন। বোনের কান্নায় কেঁপে ওঠে চারপাশ। যে বাড়িতে পারভেজের বিয়ের আনন্দে ঢোল বাজানোর কথা ছিল, সেখানে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। উপস্থিত সবাই আবেগ সামলাতে না পেরে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
এরপর রাতেই গ্রামের স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় পারভেজ মণ্ডলের নামাজে জানাজা। শোকে ভারী বাতাসের ভেতর অসংখ্য মানুষ জড়ো হন তার শেষ বিদায়ে। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে, কান্না আর আহাজারির মধ্যে। মাটির নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত হয় প্রবাস ফেরত তরুণের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর গ্রামের ভ্যানচালক কিয়ামুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে ছিলেন পারভেজ। পরিবারের স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল হঠাৎ রাস্তার দুর্ঘটনার নির্মমতায়।





