কালুখালী টাইমস

ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি নিয়ে পাংশায় প্রতিষ্ঠানের কৌশল “নিউজ করলে আমার পক্ষে লিখে দিও”—প্রধান শিক্ষক মোতাহার হোসেন

এস,কে পাল সমীর, পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর পাংশায় সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে কিছু মাধ্যমিক বিদ্যালয় ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তিতে ‘একক স্কুল চয়েস’ কৌশল অবলম্বন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে অনেক শিক্ষার্থী লটারিতে বাদ পড়লে উপজেলা সদরের স্কুলে ভর্তির সুযোগ হারাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। বিষয়টি জানার পর অভিভাবকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একটি বিদ্যালয়ের প্রতি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন করে তিন শাখায় মোট ১৬৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় লটারির মাধ্যমে বিদ্যালয় নির্ধারিত হবে। কিন্তু পাংশা পৌরসভার অন্তত তিনটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র নিজ প্রতিষ্ঠানের চয়েস দিয়ে আবেদন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে একই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আবেদন জমা হলেও অন্য স্কুলে সুযোগ পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ—সন্তানদের ভর্তির জন্য পছন্দের স্কুলে গেলে শিক্ষকরা আবেদন করার সময় শিক্ষার্থীদের একাধিক বিদ্যালয় চয়েস না দিয়ে শুধু নিজ বিদ্যালয় চয়েস দিচ্ছে। আবেদনের পর লটারি হবে আমরা তা আগে জানতাম না। ফলে লটারিতে বাদ পড়লে পাশের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থাকবে না।
পাংশা পৌরসভার তিনটি বেসরকারি বিদ্যালয় হলো—এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ, কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমী ও পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।
সরেজমিনে এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠে গেলে জানা যায়,
সেখানে ইতোমধ্যে ১৯১টি আবেদন সম্পন্ন হয়েছে, যার অধিকাংশেই ‘নিজ প্রতিষ্ঠান’ চয়েস দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, যারা আমাদের বিদ্যালয় চয়েস দিতে বলছে, আমরা শুধু তাদেরটাই আমাদের বিদ্যালয় চয়েস দিচ্ছি। আর মেয়েদের শাখা পূরণ করার জন্য আমাদের বিদ্যালয়ই চয়েস দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন—অভিভাবকরাই আমাদের বিদ্যালয় চয়েস দিতে বলছে তাই দিচ্ছি।
আনুষ্ঠানিক বক্তব্য চাইলে তিনি বলেন, “আমার কোন বক্তব্য নাই। নিউজ করলে আমার পক্ষে রেখে যা লেখা লিখো। চাকরি আছেই আর দুই মাস, কোন ঝামেলায় পড়তে চাই না।”
পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, এ বিদ্যালয়ে ১২১টি আবেদন জমা পড়েছে এবং সবগুলোতেই নিজ প্রতিষ্ঠানের চয়েস রাখা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক সান্ত্বনা রানী দাস বলেন, “আমরা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠান চয়েস দিয়ে আবেদন করেছি। শিক্ষা অফিসার আপত্তি জানানোর পর আমরা আর আবেদন করছি না।”
কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমীতে গেলে জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানে ১১৮টি আবেদন হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদৎ হোসেন জানান—“আমরা প্রথম থেকেই একাধিক বিদ্যালয় চয়েস দিয়ে আবেদন করছি এবং অভিভাবকদেরও সচেতন করছি।”

পাংশা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “তিন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে মিটিং করে বলা হয়েছে আবেদন করার সময় অবশ্যই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় চয়েস দিতে হবে। যাতে লটারিতে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা অন্য চয়েসে ভর্তি হতে পারে।”

কালুখালীতে পিকআপের ধাক্কায় ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে, বৃদ্ধ গুরুতর আহত

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ মফিজ উদ্দিন মন্ডল (৭০) নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বোয়ালিয়া

রাজবাড়ীতে তেল পাম্পে সিরিয়াল ভঙ্গ ও বৈধ কাগজ না থাকায় ১১ জনকে জরিমানা

মো. আকাশ মাহমুদ: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে সিরিয়াল ভঙ্গ এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া জ্বালানি তেল নিতে আসায় ১১ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল থেকে

সময়ের ‘১৫’র সন্ধি’ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে আনন্দ আয়োজন

রাজবাড়ীতে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজবাড়ী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও

মানিকগঞ্জে শিশু হত্যার সন্দেহে গণপিটুনি: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবা ও চাচার

মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় অপহৃত এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন এক যুবকের বাবা ও চাচার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে

রংপুরে তেলের লাইনে মোটরসাইকেল রেখে ১২ দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ চালক!

রংপুর: সারা দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন আর ভোগান্তি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তবে রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বর এলাকার ‘মেসার্স ইউনিক ফিলিং

‘বাঁচলে একসাথে, মরলে একসাথে’: স্ত্রীকে কিডনি দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জসিম

পর্দার নয়, বাস্তবের এক ‘নায়ক’ হিসেবে আবির্ভূত হলেন শরীয়তপুরের জসিম উদ্দিন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি কিডনি দান করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনলেন স্ত্রী

You cannot copy content of this page