
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর ঘিরে বড় দুঃসংবাদ পেলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এবারের আসরে থাকছে না কোনো জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মূলত জনসমাগম এড়িয়ে খেলোয়াড়, দর্শক এবং ম্যাচ কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
মাঠের খেলাই এখন প্রাধান্য বুধবার রাতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করেন। পরে বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের পরামর্শ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কোনো প্রাক-ইভেন্ট বা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সভাপতির মতে, “আমাদের মূল লক্ষ্য ক্রিকেটটা ভালোভাবে চালানো। তাই অনুষ্ঠানের চেয়ে মাঠের ক্রিকেটের দিকেই আমরা বেশি মনোযোগ দিচ্ছি।”
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সরকারি নির্দেশনা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হলেও টুর্নামেন্টের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে ফেডারেশনগুলোর বৈঠকে বিপিএলের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পাওয়া গেছে বলে জানান বিসিবি প্রধান।
সূচী ও সমাপনী পরিকল্পনা আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে শুরু হবে বিপিএলের মাঠের লড়াই। এরপর ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব এবং ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত পর্ব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হলেও ২৩ জানুয়ারি ফাইনালের দিন একটি জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির। তবে সেক্ষেত্রেও তখনকার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ক্রিকেটীয় রোমাঞ্চে ঘাটতি থাকবে না গভর্নিং কাউন্সিল আশ্বস্ত করেছে যে, মাঠের বাইরের চাকচিক্য না থাকলেও মাঠের ভেতরে রোমাঞ্চকর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতিই এখন পরিকল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।





