
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে গোপনীয়তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খানের ফেসবুক স্টোরিতে হঠাৎই একজন প্রার্থীর প্রবেশপত্র প্রকাশ পায়—যেখানে ছিল জামায়াতপন্থি সাবেক এমপি লতিফুর রহমানের সুপারিশনামা!
🔍 ঘটনাক্রম:
📅 শনিবার, ২ আগস্ট
➡️ উপ-উপাচার্যের ফেসবুক স্টোরিতে দেখা যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা লতিফুর রহমানের সুপারিশসহ একজন চাকরিপ্রার্থীর প্রবেশপত্র।
📣 বিষয়টি সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা, প্রশ্ন ওঠে—
“নিয়োগ প্রক্রিয়া কি তাহলে এখনো রাজনৈতিক সুপারিশে চলছে?”
📞 জামাত নেতার বক্তব্য:
লতিফুর রহমান বলেন—
“আমি সরাসরি কাগজে কিছু লিখিনি। তবে ফোনে উপ-উপাচার্যকে বলেছিলাম, যেন আবেদনটা দেখেন। ফলাফল ভালো।”
🧠 উল্লেখ্য, এই সাবেক এমপি একসময় রাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন।
📱 উপ-উপাচার্যের ব্যাখ্যা:
অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন—
“স্টোরিতে কিভাবে পোস্ট হলো বুঝতে পারিনি। হয়তো আমার ছেলে গেম খেলতে গিয়ে ভুলে স্টোরিতে দিয়ে ফেলেছে।”
তিনি আরও জানান,
“প্রতিদিন বহু সিভি, সুপারিশ, প্রবেশপত্র তার ইনবক্সে আসে। কিছু তিনি দেখেন, কিন্তু এগুলো কখনো নিয়োগে প্রভাব ফেলে না।”
➡️ যদিও তার নিজস্ব ফোনে থাকা “ডজনখানেক সুপারিশ” নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
💬 সামাজিক প্রতিক্রিয়া:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে বলছেন—
“একজন উপ-উপাচার্যের ফেসবুক থেকে প্রার্থীর গোপন প্রবেশপত্র ফাঁস হওয়া শুধু অব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, এটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ওপর সরাসরি আঘাত।”
🧾 কেউ কেউ একে দেখছেন নিয়োগ বাণিজ্য বা প্রভাব খাটানোর ‘ভবিষ্যৎ ইঙ্গিত’ হিসেবেও।





