
রাজবাড়ীর কালুখালীবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হলো। নিয়মিত যাত্রাবিরতির সূচনা করল ঢাকাগামী আন্তঃনগর বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন (৭৯৫/৭৯৬)।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৩৪ মিনিটে প্রথমবারের মতো ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বেনাপোল এক্সপ্রেস থামে কালুখালী রেলওয়ে স্টেশন জংশনে। মুহূর্তেই স্টেশন এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর পরিবেশে। ধর্ম-বর্ণ-পেশা নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ এই ঐতিহাসিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে ভিড় জমান।
প্রথম যাত্রাবিরতির দিনে যাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। ট্রেনের পরিচালক শরিফুজ্জামানসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রতনদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাসেম মণ্ডল, হাজী ওয়াজেদ আলী বিশ্বাস, খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, কালুখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রব ও সেক্রেটারি আবু সাঈদ মোল্লা নিলু, কালুখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মণ্ডল, শিক্ষক মাওলানা আ. ওহাব, হানিফ খান, ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা আজমীর হোসেন খান, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বাদশা খান, যুবদল নেতা হানিফ মণ্ডল, রফিকুল ইসলাম রকি, এবং কালুখালী প্রেসক্লাবের সদস্য মোখলেছুর রহমান, রাকিবুল ইসলাম, আদম আলী, বোরহান উদ্দিন বিপ্লব, এনামুল মণ্ডলসহ শত শত মানুষ।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস নিয়মিতভাবে কালুখালী জংশনে থামবে। বুধবার ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে কালুখালী পৌঁছাবে। অপরদিকে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী ট্রেনটি রাত ২টা ২০ মিনিটে কালুখালীতে পৌঁছাবে।
স্থানীয়দের মতে, বহুদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় তারা ভীষণ আনন্দিত। এ উপলক্ষে এলাকায় নানা কর্মসূচি পালন করা হয় এবং সর্বত্র উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।





