
রাজবাড়ীর পাংশায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও জিআর সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত মোট ১২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২০ ডিসেম্বর) অনাগত রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে পাংশা থানার এফআইআর নং–১৩, জিআর নং–২৭৬ (তারিখ: ২০/১২/২০২৫) মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বিপিএম-এর দিকনির্দেশনায়, পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেব্রত সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মাদক মামলার প্রধান আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় মোঃ বাচ্চু শেখ (৫০)-কে। বাচ্চু শেখ পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা গ্রামের মৃত সূর্য শেখের ছেলে।
এছাড়া পাংশা থানার জিআর সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন— ১. মোঃ আব্দুস শুকুর ফকির (পিতা—মৃত আদু ফকির), ২. মোঃ লুকু ফকির (পিতা—মৃত আদু ফকির), ৩. মোঃ রহিম ফকির (পিতা—মৃত আদু ফকির), ৪. মোঃ টুকু ফকির (পিতা—মৃত আদু ফকির), ৫. মোঃ লিয়াকত ফকির (পিতা—মৃত ময়ছের আলী ফকির), ৬. মোছাঃ রিতা খাতুন (স্বামী—মোঃ রিয়াজুল ফকির), ৭. মোঃ রিয়াজুল ফকির (পিতা—মোঃ লিয়াকত আলী ফকির), ৮. মোঃ মোমিন ফকির (পিতা—মোঃ রহিম ফকির), ৯. মোছাঃ আনোয়ারা বেগম (স্বামী—মোঃ আব্দুস শুকুর ফকির), ১০. মোছাঃ মোমেনা বেগম (স্বামী—মোঃ রহিম ফকির), ১১. মোছাঃ আনো বেগম (স্বামী—মোঃ লিয়াকত ফকির)।
গ্রেপ্তারকৃত সকলেই পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।





