
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-১১ (রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে তাঁর এই বিজয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে লড়েছেন।
ঢাকা-১১ আসনের প্রাপ্ত ফলাফলের সংক্ষিপ্ত চিত্র:
-
নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি): তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় নিশ্চিত করেছেন।
-
ড. এম এ কাইয়ুম (ধানের শীষ): এই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার নাহিদ ইসলাম এই এলাকারই সন্তান। বাড্ডার বেরাইদে জন্ম নেওয়া নাহিদ তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় রামপুরা-বাড্ডা এলাকাকে ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছিলেন। ঢাকা-১১ আসনে প্রায় ৪.৫ লাখ ভোটারের এই বিশাল জনপদে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন নাহিদ ইসলামের জয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই বিজয় জুলাই বিপ্লবের শহীদদের এবং রামপুরা-বাড্ডার সাধারণ মানুষের। দীর্ঘ ৩০ বছর যারা এই এলাকাকে জিম্মি করে রেখেছিল, ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ আজ তাদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। আমি রামপুরা-বাড্ডাকে একটি আধুনিক ও উন্নত বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।”
উল্লেখ্য, আজ সকালে বাড্ডার এ.কে.এম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে নাহিদ ইসলাম জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।
এক নজরে ঢাকা-১১ ফলাফল:
-
বিজয়ী: নাহিদ ইসলাম (এনসিপি – ১১ দলীয় জোট)।
-
প্রতীক: শাপলা কলি।
-
এলাকা: রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা।
-
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: ড. এম এ কাইয়ুম (বিএনপি)।





