
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় তল্লাশি চালানো হবে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার জানান, প্রায় ৭ ঘণ্টার চেষ্টায় ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, তবে এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের মধ্যে একজন নারী ও পাঁচজন পুরুষ রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে রাত পৌনে ১২টার দিকে পানির নিচে থাকা বাসটির সামনের অংশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানান, তাদের দুইজন ডুবুরি ও দুইজন সহকারী ডুবুরি সরাসরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও এতে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই ডুবে যায়। প্রাথমিকভাবে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।





