
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারমিস সুলতানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ করুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমানের কাছে বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগে বলা হয়, পারমিস সুলতানা দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অসাদাচরণের মাধ্যমে কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের নাম ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
তালতলা স্কুল, চামটা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুরশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ, আমতলা আইডিয়াল স্কুল ও বাঁধুলী খালকুলা মাদরাসায় এমপিওভুক্তির জন্য ব্যাকডেট করে শিক্ষক নিয়োগ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পারমিস সুলতানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর বালিয়াকান্দি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খন্দকার মনির আযম মুন্নু উপজেলা শিক্ষা দপ্তরে এসে উত্তেজিত আচরণ করেন এবং একটি তদন্ত কার্যক্রম বাতিলের দাবি তোলেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, একটি মহল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে তাকে হয়রানি করছে।
অভিযোগকারীদের মধ্যে ছিলেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মসিউল আজম চন্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এসএম মিজানুর রহমান বিল্লাল, বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসীন খান, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কলেজ প্রভাষক মনিরুজ্জামান বাবু, এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব কামরুজ্জামান।
উল্লেখ্য, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





