
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আকস্মিক এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকে দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.২।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে ভূমিকম্প ঠিক কখন কোথায় ঘটবে—এমন পূর্বাভাস দেওয়া গবেষকদের পক্ষেও প্রায় অসম্ভব।
ভূমিকম্পবিষয়ক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে ভূমিকম্পের আগে–পরে ও চলাকালে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া, টেবিল বা শক্ত আসবাবের নিচে অবস্থান, রান্নাঘরে থাকলে গ্যাস বন্ধ করা, এবং খোলা জায়গায় চলে যাওয়ার মতো পদক্ষেপ জীবন রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।
এ ছাড়া ভবন নির্মাণে সঠিক বিল্ডিং কোড মেনে চলা, ব্যাটারিচালিত রেডিও, টর্চলাইট, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম ঘরে রাখা এবং পরবর্তী কম্পনের সম্ভাবনা মাথায় রেখে সতর্ক থাকা জরুরি।
কম্পন থেমে গেলে সিঁড়ি দিয়ে ভবন ত্যাগ করা, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে না থাকা, বিদ্যুৎ–গ্যাস লাইনে সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উঁচু ভবনের জানালা বা ছাদ থেকে লাফ না দিয়ে শান্তভাবে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।





