
রের জুতা লুকানোকে কেন্দ্র করে রসিকতা থেকে চরম তিক্ততা—পরিণামে ভেঙে গেল বিয়ে। শুধু তাই নয়, কনেপক্ষের ওপর হামলা, ভাঙচুর এবং নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটের অভিযোগ উঠেছে বরপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের গুলায়াখালীর চরে এই লঙ্কাকাণ্ড ঘটে।
ঘটনার বিবরণ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলায়াখালী গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে আজিজুল হক প্রায় ৬০ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার একপর্যায়ে গ্রামীণ সংস্কৃতি অনুযায়ী কনেপক্ষের কিশোর-তরুণীরা বরের জুতা লুকান। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
কনেপক্ষের অভিযোগ কনেপক্ষের স্বজন খাদিজা বেগম জানান, তারা বরকে যথাযথ সম্মানের সাথে স্মার্টফোন ও দশ আনা ওজনের সোনার চেইন দিয়ে বরণ করেছিলেন। প্রায় ২০০ অতিথির জন্য এক লাখ টাকা মূল্যের গরু এবং পাঁচ মণ দুধের দইসহ এলাহি ভোজের আয়োজন ছিল। কিন্তু জুতা লুকানো নিয়ে বিবাদ শুরু হলে বরপক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে কনের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। অভিযোগ উঠেছে, তারা কনেপক্ষের লোকজনকে মারধর করে আমন্ত্রিত অতিথিদের দেওয়া উপহারের টাকা এবং মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিয়ের আসর ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। একটি উৎসবমুখর আয়োজন এভাবে লুণ্ঠন ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ায় এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। কনেপক্ষ এখন এই অন্যায়ের বিচারের দাবিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। এ বিষয়ে বরপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





