
ভাষা সৈনিক, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য আহমদ রফিকের প্রতি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার মরদেহ ফ্রিজিং গাড়িতে শোক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বারডেম হাসপাতালে (ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ) হস্তান্তর করা হয়।
সেখানে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ দান করা হয়েছে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য। ফলে তার দাফন হয়নি এবং জানাজা পড়ানোও হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার্স, পারকিনসন্সসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। স্ত্রীকে হারানোর পর তিনি রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের গাউস নগরে একাই বসবাস করতেন।
আহমদ রফিক ছিলেন ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসবিদ ও রবীন্দ্র গবেষণায় অনন্য এক নাম। তিনি শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।
তিনি পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে দিয়েছে “রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য” উপাধি।
দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে তার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে।





